শাহীন আরাফাত শুভ।
আমাদের স্বাধীনতার সর্বব্যৌমত্বকে একটা বড় হুমকির মধ্যে ফেলেছিল ফ্যাসিস্টরা কারণ তারা জনগণকে বিভক্ত করে ফেলেছিল। বিভক্ত করে তারা এ দেশকে বিদেশি কর্তৃত্বের মধ্যে নিয়ে গিয়ে নিজেদের গদি রক্ষা করতে চেয়েছিল। আর তার বিপরীতে ৫ ই আগস্টের অভ্যুত্থানের দুদিনের মাথায় বেগম খালেদা জিয়া স্পষ্ট করে বললেন বিভক্তি কিংবা প্রতিশোধ প্রতিহিংসার রাজনীতি নয় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যে দেশের জনগোষ্ঠীর ঐক্যবদ্ধ থাকেনা সে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব সবসময় হুমকির মধ্যে থাকে। তাকিয়ে দেখুন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কি ঘটছে আমাদের দেশেও কি ঘটছে। কাজেই আমাদের এই নেতৃত্বকেই স্মরণ রাখতে হবে।
এছাড়াও তিনি বলেন, যদি শাসনব্যবস্থা বদলাতে চান আগামী ১২ তারিখ গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়ে শহীদের রক্তস্নাত জুলাই জাতীয় সনদকে অনুমোদন করবেন। আর যদি রাষ্ট্র ব্যবস্থার মেরামতের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে চান ৩১ দফা সংস্কার যেখানে শাসন ব্যবস্থা বদল সহ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কর্মসূচি আছে সেইটাও যদি বদলাতে চান তাহলে যুগপথ ভোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। বাঞ্ছারামপুরের যোগপথ পথপ্রার্থী হচ্ছে মাথলা মার্কা, মাথলাই হচ্ছে বাঞ্ছারামপুরের ধানের শীষ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৬ বাঞ্ছারামপুর বিএনপি ও যুগপথ আন্দোলন সমর্থিত জোট প্রার্থী জোনায়েদ সাকির সমর্থনে বিশাল জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্যে এসব কথা বলেন জোট সমর্থিত প্রার্থী জোনায়েদ সাকি।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ খালেক পিএসসি।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একে এম ভিপি মুসা ও সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ আকাশের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট রফিক শিকদার, জিয়া উদ্দিন জিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল সরকার তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য সালে মুসা সহ আরো অনেকে।
Leave a Reply